চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েই চলেছে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি আক্রান্ত হচ্ছেন চিকিৎসকরাও। এরই মধ্যে আড়াইশ শয্যাবিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. জমির মো. হাসিবুর সাত্তার ও অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের সহকারী সার্জন মো. ফজর আলী লাল ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁরা নিজ নিজ বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মাহবুব হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত রবিবার (৫ অক্টোবর) তত্ত্বাবধায়ক ডা. জমির মো. হাসিবুর সাত্তার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন। পরদিন মঙ্গলবার অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের সহকারী সার্জন মো. ফজর আলী লাল ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন। তাঁরা নিজ বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ১ হাজার ৮৮২ জন। এ ছাড়া বহির্বিভাগে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৪৮৭ জনের।
অন্যদিকে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) কীটতাত্ত্বিক জরিপে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের ৩৬ শতাংশ বাড়িতে এডিস মশার লার্ভার উপস্থিতি পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম শাহাব উদ্দিন বলেন, বর্ষা মৌসুমে জমে থাকা পানি থেকে এডিস মশার প্রজননস্থল তৈরি হওয়ায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি ব্যক্তিগত সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।







