দ্বিতীয়ার্ধে ক্রোয়েশিয়া ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও স্পেনের আক্রমণের ধার কমেনি। তেমনই এক আক্রমণে ৬৩ মিনিটে সুযোগ কাজে লাগান ইয়ামাল। পেদ্রির দুর্দান্ত থ্রু পাস ধরে বক্সে ঢুকে খুব কঠিন কোণ থেকে বাঁ পায়ের শটে কাছের পোস্ট দিয়ে বল জালে পাঠান তিনি। তার বার্সেলোনা সতীর্থ দমিনিক লিভাকোভিচ হাত বাড়িয়েও আটকাতে পারেননি।
জোড়া গোলের পর ইয়ামালকে ৬৮ মিনিটে তুলে নেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। মাঠ ছাড়ার সময় স্ট্যান্ডিং ওভেশন পান বার্সেলোনার এই তরুণ ফরোয়ার্ড। আন্তর্জাতিক বিরতিতে স্পেনের হয়ে দুই ম্যাচে তার গোল-অ্যাসিস্ট মিলিয়ে অবদান দাঁড়াল চারটি।
শেষ দিকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও দৃঢ় করে স্পেন। ৮১ মিনিটে ক্রোয়েশিয়ার হয়ে মাঠে নামেন লুকা মদরিচ। তবে ৪১ বছর বয়সি এই কিংবদন্তির উপস্থিতিও তার দলকে ম্যাচে ফেরাতে পারেনি।
উল্টো ৮৯ মিনিটে স্কোরলাইন ৪-১ করে ফেলেন উইলিয়ামস। রদ্রি, পেদ্রি ও মিকেল মেরিনোর সমন্বয়ে তৈরি আক্রমণ থেকে বল পেয়ে ক্রোয়েশিয়ার এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বল জালে পাঠান তিনি। গোলরক্ষকের সামনে ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠান উইলিয়ামস। মজার বিষয়, এই গোলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা চার স্প্যানিশই মাঠে নেমেছেন বদলি হিসেবে।
টানা দুই জয়ে নেশনস লিগ শুরু করা স্পেন পরের ম্যাচ খেলবে ৩ অক্টোবর চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে। একই দিনে ক্রোয়েশিয়ার প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড।







