পর্যটকদের জন্য সেন্টমার্টিন দ্বীপ খুলে দেওয়ার খবরে দ্বীপজুড়ে আনন্দ-উল্লাস বিরাজ করছে। সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল করেছেন সেন্টমার্টিন স্থানীয় বাসিন্দারা। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে দ্বীপের প্রধান সড়কজুড়ে এ আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
মিছিলে উপস্থিত ছিলেন সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন সভাপতি নুরুল আলম, সহসভাপতি এমএ তাহের শাহীন, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, ব্যবসায়ী ও বিএনপির সাবেক সভাপতি আবদুল হক, সার্ভিস বোট সমিতির সাবেক সভাপতি আবু তালেব, বর্তমান ইউপি সদস্য ছৈয়দ আলম, ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক আলী হায়দার, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আয়াতুল্লাহ খোমেনি, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রহিম মিয়া এবং উপজেলা ছাত্রদলের নেতা জাবেদ ইকবাল ও তারেক রহমান।
স্থানীয়রা জানান, পর্যটন মৌসুমকে ঘিরে নতুন আশায় বুক বাঁধছেন দ্বীপের বাসিন্দারা। দীর্ঘদিনের সংকট কাটিয়ে আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। পর্যটকদের আগমন বাড়লে হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ, নৌযানসহ পর্যটননির্ভর বিভিন্ন ব্যবসায় কর্মচাঞ্চল্য ফিরবে বলে আশা করছেন তাঁরা।
দ্বীপের অনেক মানুষের জীবিকা পর্যটনশিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। তাই পর্যটন কার্যক্রম চালুর খবরে তাঁদের মধ্যে স্বস্তি ও আশাবাদ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, পর্যটকদের পদচারণায় আবারও মুখর হয়ে উঠবে দেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ সেন্টমার্টিন।
দ্বীপের বাসিন্দা তৈয়ব উল্লাহ বলেন, পর্যটকদের জন্য দ্বীপ খুলে দেওয়ার খবরে স্থানীয় মানুষের মধ্যে আনন্দ ও আশার সঞ্চার হয়েছে। পর্যটন মৌসুমে পর্যটকদের আগমন বাড়লে দ্বীপের মানুষের কর্মসংস্থান ও আয়-রোজগারের সুযোগ তৈরি হবে। দীর্ঘদিনের সংকট কাটিয়ে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যে আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তবে পর্যটন কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি দ্বীপের অনন্য পরিবেশ, প্রবাল, জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সংরক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার প্রত্যাশা জানিয়েছেন সচেতন মহল।
সব মিলিয়ে পর্যটন মৌসুম ঘিরে নতুন স্বপ্ন দেখছেন সেন্টমার্টিনের বাসিন্দারা। তাঁদের প্রত্যাশা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে পর্যটন কার্যক্রম পরিচালিত হবে, ফিরবে কর্মব্যস্ততা, বাড়বে আয়-রোজগার এবং প্রাণচাঞ্চল্যে ভরে উঠবে দ্বীপের জনপদ।






