আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড হুলিয়ান আলভারেজকে দলে ভেড়ানোর চেষ্টা ঘিরে বিতর্কে শাস্তি পেয়েছে স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনা। অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের অভিযোগের ভিত্তিতে কাতালান ক্লাবটিকে ৬০২ ইউরো জরিমানা করেছে স্প্যানিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।
অভিযোগ, অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদকে লিখিতভাবে না জানিয়েই তাদের ফরোয়ার্ড আলভারেজের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল বার্সেলোনা। এ ঘটনায় স্প্যানিশ ফুটবল কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানায় মাদ্রিদের ক্লাবটি। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বার্সেলোনাকে জরিমানার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আলভারেজকে দলে নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহী ছিল বার্সেলোনা। অন্যদিকে, আর্জেন্টাইন এই তারকাও অ্যাতলেতিকো ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত তাঁকে ধরে রাখতে সক্ষম হয় দিয়েগো সিমিওনের দল।
বার্সেলোনার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ বিষয়টি ফিফার কাছেও তুলে ধরেছিল। তবে ফিফা জানায়, বিষয়টি তাদের এখতিয়ারভুক্ত নয়।
দলবদল নিয়ে মন্তব্যের কারণে অ্যাতলেতিকোর সমর্থকদের সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন আলভারেজ। বিশ্বকাপ চলাকালে করা তাঁর মন্তব্যকে কেন্দ্র করে অসন্তোষ তৈরি হয় সমর্থকদের মধ্যে। এমনকি ঘরের মাঠেও তাঁকে দুয়ো শুনতে হয়েছিল।
সম্প্রতি সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে ২৬ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড বলেন, তাঁর মন্তব্য করার ধরন ও সময় ঠিক ছিল না। সমর্থকদের ক্ষোভ তিনি বুঝতে পারছেন বলেও জানান। একই সঙ্গে কঠিন সময়ে সমর্থকদের কাছ থেকে পাওয়া সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
দিপোর্তিভো লা করুনার বিপক্ষে ম্যাচজয়ী গোল করার পর অবশ্য সমর্থকদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পান আলভারেজ। ওই জয়ের ফলে লা লিগার শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার সঙ্গে অ্যাতলেতিকোর ব্যবধান কমে দুই পয়েন্টে নেমে আসে।
আলভারেজের সঙ্গে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের চুক্তির মেয়াদ ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত। ফলে তাঁকে দলে নিতে আগ্রহী অন্য ক্লাবগুলোর জন্য দলবদলের বিষয়টি এখনো চুক্তি ও সংশ্লিষ্ট নিয়মের ওপর নির্ভরশীল।
এর আগে ২০১৯ সালে ফরাসি ফরোয়ার্ড আঁতোয়ান গ্রিজম্যানকে দলে নেওয়ার ঘটনায় একই ধরনের অভিযোগের মুখে পড়েছিল বার্সেলোনা। সে সময় গ্রিজম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ ও চুক্তি নিয়ে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ অভিযোগ জানায়। ওই ঘটনার নিষ্পত্তিতে বার্সেলোনাকে ৩০০ ইউরো দিতে হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।







