এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফল বিপর্যয় ঘটেছে। এবার প্রায় ৬ লাখ শিক্ষার্থী ফেল করেছে। এর মধ্যে ইংরেজি ও আইসিটি এই দুই বিষয়েই ফেল করেছে ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১ জন।
শুধু মোট অকৃতকার্যের সংখ্যাই বাড়েনি। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে। ২০২৫ সালের তুলনায় এ বছর জিপিএ-৫ কমেছে ৪২ শতাংশ। আর পাশের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ।
এ বছর মাদ্রাসাসহ ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পাশের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা গত বছর ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এক বছরে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ।
আর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৬৯ হাজার ৯৭। এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন বা প্রায় ৪২ শতাংশ।
চলতি বছর ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৮৯ শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।
আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টার পর শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন পরীক্ষার ফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন।
প্রকাশিত পরীক্ষার ফল অনুযায়ী, ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫১.৬২ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৫৭ দশমিক ১২ শতাংশ। সে হিসাবে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে পাসের হার কমেছে ৫ দশমিক ৫০ শতাংশ পয়েন্ট।
ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট ও এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারছেন।
ফেল করা পরীক্ষার্থীদের আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানান, যে শিক্ষার্থী যে কয়টি বিষয়ে ফেল করেছে, তাদের ফেল করা বিষয়গুলোতে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।






