উত্তর কোরিয়া নতুন নকশার একটি আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থার পরীক্ষা চালিয়েছে। পাশাপাশি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলার মহড়াও চালিয়েছে দেশটি।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ জানিয়েছে, বুধবার এসব পরীক্ষা ও মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।
কেসিএনএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষায় নতুন উপকরণ ও একাধিক দিকনির্দেশনা পদ্ধতির প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য এবং নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত হয়েছে। এ ছাড়া লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত ও অনুসরণ করার সক্ষমতাও পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে।
বুধবার উত্তর কোরিয়ার দূরপাল্লার কৌশলগত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিটের একটি উপদল মহড়ায় অংশ নেয়। এ সময় তারা একটি কাল্পনিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালায় বলে জানিয়েছে কেসিএনএ।
দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া পূর্ব উপকূলের সনডক এলাকা থেকে সাগরের দিকে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এক মাসের মধ্যে উত্তর কোরিয়া চতুর্থবারের মতো অস্ত্র পরীক্ষা করল।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার জানান, প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কয়েক ধরনের হতে পারে।
উত্তর কোরিয়ার প্রকাশিত ছবিতে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে ক্লাস্টার ওয়ারহেড দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন কোরিয়া ডিফেন্স অ্যান্ড সিকিউরিটি ফোরামের মহাসচিব শিন জং-উ। তার মতে, লক্ষ্যবস্তু এলাকায় ওয়ারহেডটি কতটা কার্যকরভাবে বিস্ফোরক বা অন্যান্য উপাদান ছড়িয়ে দিতে পারে, তা পরীক্ষা করাই এই উৎক্ষেপণের উদ্দেশ্য বলে মনে হচ্ছে।
শিন আরও বলেন, নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রথম প্রকাশ্যে আনা হয়েছিল ২০২৫ সালের নভেম্বরে। এর দিকনির্দেশনা অংশের নকশার সঙ্গে রাশিয়ার এস-৪০০ ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থার সাদৃশ্য রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। সূত্র: রয়টার্স






