নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অবস্থানরত হোটেলের কাছে একটি পরিত্যক্ত স্যুটকেসকে কেন্দ্র করে বোমা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল হোটেলের কাছে সন্দেহজনক কালো স্যুটকেসটি পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে ছুটে আসে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের (এনওয়াইপিডি) বোমা স্কোয়াড। নিরাপত্তার স্বার্থে আশপাশের কয়েকটি সড়কে সাময়িকভাবে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক সফরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর অবস্থানরত হোটেলের কাছে সন্দেহজনক বস্তু পাওয়ার ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সন্দেহজনক স্যুটকেসটি পরীক্ষা করে।
পুলিশের বোমা স্কোয়াডের সদস্যরা সতর্কতার সঙ্গে স্যুটকেসটি পরীক্ষা করেন। এ সময় নিরাপত্তার স্বার্থে ঘটনাস্থলের আশপাশে সাধারণ মানুষের চলাচল সীমিত করা হয়। পুলিশের তৎপরতায় এলাকায় সাময়িক উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
তবে পরীক্ষার পর এনওয়াইপিডি নিশ্চিত করে, সন্দেহজনক স্যুটকেসটি থেকে কোনো বিপজ্জনক বস্তু পাওয়া যায়নি। ফলে প্রাথমিকভাবে যে বোমা আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল, তা নিরসন হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লক্ষ্য করে স্যুটকেসটি সেখানে রাখা হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে, ঘটনাটির সঙ্গে কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের সম্পৃক্ততার তথ্যও নিশ্চিত করেনি পুলিশ।
উল্লেখ্য, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করেও নিউইয়র্কের প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
হোটেলের কাছে সন্দেহজনক স্যুটকেস উদ্ধারের ঘটনাটি নিরাপত্তাসংক্রান্ত উদ্বেগ তৈরি করলেও পুলিশের পরীক্ষায় কোনো বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি। ফলে ঘটনাটিকে বোমা হামলা বা বোমা উদ্ধারের ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করার কোনো ভিত্তি পাওয়া যায়নি।







