তীরে এসে তরী ডোবার পরিস্থিতির মুখে ছিল রিয়াল মাদ্রিদ। তবে সেটা হতে দেননি ইস্পি। ম্যাচের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে ফাঁকা জালে বল পাঠিয়ে লস ব্ল্যাংকোসদের আনন্দে ভাসান স্পেনের ফরোয়ার্ড। কিলিয়ান এমবাপ্পের অ্যাসিস্টে ‘সুপার সাব’ বনে যান ইস্পি। তার গোলেই পরে ৩-২ ব্যবধানের জয়ে হাসিমুখে মাঠ ছেড়েছে রিয়াল।
অথচ রোমাঞ্চকর ম্যাচটিতে সহজ জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ার পথে ছিল রিয়াল। ম্যাচের ৭০ মিনিট পর্যন্ত ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল কোচ জোসে মরিনহোর শিষ্যরা। এমনকি ৭১ মিনিটে এলচের ফরোয়ার্ড অ্যাবিয়েল ওজারিও হেডে ব্যবধান কমানোর পরেও জয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিল রিয়াল।
ম্যাচ শেষ হতে যে আর ২ মিনিট বাকি ছিল। এই সময়টুকু ডিফেন্ড করতে পারলেই প্রতিপক্ষের মাঠ থেকে জয় নিয়ে ফিরতে এত চাপের মুখে পড়তে হতো না। কিন্তু ৮৮ মিনিটে ডি বক্সের ভেতর থেকে ডান পায়ের দুর্দান্ত এক ফিনিশিংয়ে দলকে সমতায় ফেরান ফের নিনো। বদলি নামা ফরোয়ার্ডের গোলে যখন এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ার স্বপ্ন দেখে এলচে, ঠিক তখনই ইস্পির সেই গোল। তাতে স্তব্ধ হতে হয় এলচের খেলোয়াড়সহ গ্যালারিতে থাকা দর্শকদের।
এর আগে ম্যাচের ২৫ মিনিটে এগিয়ে যায় রিয়াল। ডি বক্সের বাইরে থেকে দারুণ এক ফ্রি কিক নেন আর্দা গুলের। তার শট পোস্টে লেগে জাল খুঁজে নেয়। তবে গুলের শট জাল খুঁজে নেওয়ার আগে এলচের আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক মাতিয়াস ডিতুরোর পায়ে লাগে। ম্যাচের ৩৩ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এমবাপ্পে। ডান প্রান্ত থেকে অ্যাসিস্ট করেন ইয়ামান্দে। বিরতিতে যাওয়ার আগে আরেকটি গোল করেছিলেন এমবাপ্পে। তবে অফসাইডের কারণে বাতিল হয় রিয়ালের স্ট্রাইকারের সেই গোল। গোলটি হলে শেষটা এত রোমাঞ্চ না-ও হতে পারত।
এ জয়ে গোল ব্যবধানে শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার সমান পয়েন্ট পেয়েছে রিয়াল। ৬ ম্যাচে রিয়ালের পয়েন্ট ১৫। বিপরীতে সমান পয়েন্ট নিয়ে চূড়ায় থাকা বর্তমান লিগজয়ীরা এক ম্যাচ কম খেলেছে।






