শ্রীলঙ্কাকে হারাতে প্রয়োজন ছিল মাত্র ১২৫ রান। সেই লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই ঝড় তুললেন জস বাটলার। তার বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে মাত্র ৯.৪ ওভারেই জয় তুলে নিল ইংল্যান্ড।
ম্যানচেস্টারের এমিরেটস ওল্ড ট্রাফোর্ডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে শ্রীলঙ্কাকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। ব্যাটিংয়ে নেমে ১৮.৫ ওভারে ১২৪ রানেই গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। জবাবে ৯.৪ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা।
এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে নিজেদের করে নিল ইংল্যান্ড। সেই সঙ্গে আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠল তারা। এর আগে প্রথম ম্যাচে ১১৯ রানে এবং দ্বিতীয় ম্যাচে ৬ উইকেটে জিতেছিল ইংলিশরা।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এটি ইংল্যান্ডের টানা ১৫তম টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক জয়। এর মাধ্যমে তারা পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে কোনো একটি প্রতিপক্ষের বিপক্ষে টানা সর্বোচ্চ জয়ের রেকর্ডে পাকিস্তানের সঙ্গে সমতা ছুঁয়েছে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টানা ১৫ ম্যাচ জিতেছিল পাকিস্তান।
ছোট লক্ষ্য তাড়ায় দলীয় ২২ রানে অ্যানিউরিন ডোনাল্ডের উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। তবে তাতে অবশ্য খুব একটা সমস্যা হয়নি তাদের। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে রানের চাকা সচল রাখেন বাটলার ও হ্যারি ব্রক।
এশান মালিঙ্গাকে ছক্কা মেরে ৩০ বলে তুলে নেন ফিফটি বাটলার। ব্রক ২১ বলে ৩৩ রানে ফিরলেও দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। বাটলারের ৩২ বলে ৬২ রানের অপরাজিত ইনিংসটি সাজানো ছিল ৭টি চার ও ২টি ছক্কায়। শেষ পর্যন্ত বাটলারের ছক্কায়ই ৯.৪ ওভারে ম্যাচ শেষ করে ইংল্যান্ড।
এর আগে টস জিতে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাটিংয়ে পাঠান ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। শুরু থেকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে লঙ্কানরা। শ্রীলঙ্কার হয়ে সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেন পাথুম নিশাঙ্কা। কামিন্দু মেন্ডিস করেন ৩৫ রান করেন। অধিনায়ক চরিথ আসালঙ্কা ১৬ ও দাসুন শানাকা করেন ১২ রান।
শেষ পর্যন্ত ১৮.৫ ওভারে ১২৪ রানে অলআউট হয় শ্রীলঙ্কা। ইংল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে ২টি করে উইকেট নেন সনি বেকার, জোফরা আর্চার এবং উইল জ্যাকস। জেমি ওভারটন নেন একটি উইকেট।
১৭ রানে ২ উইকেট নেওয়া বেকার হয়েছেন ম্যাচসেরা আর ১৭০ রান করে সিরিজসেরা হ্যারি ব্রুক।







