এই তো সবশেষ আমিরাত সফরেই ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিকের দেখা পেয়েছিলেন হাসান মাহমুদ। তার ঠিক এক টেস্ট পরই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আবার হ্যাটট্রিকের দুয়ারে চলে গিয়েছিলেন তিনি। দুয়ারে চলে গিয়েছিলেন বললেও কমই বলা হবে, হ্যাটট্রিকটা তো পেয়েই গিয়েছিলেন! এরপরও শেষমেশ তা হলো না, বাধ সাধল ডিআরএস। হাসানকে ফিরতে হলো খুব কাছ থেকে।
দিনের প্রথম এক ঘণ্টায় বাংলাদেশ স্রেফ হতাশাই উপহার পেয়েছে। তবে নতুন বল হাতে পেতেই দৃশ্যটা বদলে দেন হাসান মাহমুদ। অ্যারাউন্ড দ্য উইকেট থেকে ক্রিজের একেবারে প্রান্ত থেকে ডেলিভারিটা করেছিলেন, সেটা সিমের ওপর পরে ভেতরে ঢুকে গিয়েছিল। সেঞ্চুরিয়ান আমির জাঙ্গুর রক্ষণ ফাঁকি দিয়ে বলটা ভাঙে স্টাম্প। ভাঙে ১০৬ রানের জুটি।
এরপরের বলে রস্টন চেজকেও বিদায় করে দিলেন। ওভার দ্য উইকেট থেকে তার ভেতরে ঢোকানো ডেলিভারির কোনো জবাবই ছিল না চেজের কাছে। তার ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে যায় উইকেটরক্ষক লিটন দাসের হাতে।
পরের বলে জশুয়া বিশপের বিপক্ষে জোরালো এলবিডব্লিউর আবেদন করেছিলেন হাসান। আম্পায়ার আঙুল তুলেও দিয়েছিলেন। কিন্তু বিশপ করে বসেন রিভিউ। সেখানে দেখা যায় প্যাডে লাগার আগে বলটা ব্যাটের কানায় লেগেছিল। ফলে রক্ষা পেয়ে যান তিনি, হ্যাটট্রিকটা আর হয়নি হাসানের।







