দুর্গাপূজার অন্যতম বিশেষ দিক হলো, শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষই নন অন্য ধর্মের অনুসারীরাও এ উৎসবে অংশ নেন। এ উৎসব বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ একত্রে আনন্দ উপভোগ করেন।
মঙ্গলবার ধামরাইয়ে একটি দুর্গাপূজা মণ্ডপ ও ঐতিহ্যবাহী ধাতব কারুশিল্পের কর্মশালা পরিদর্শন করে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি বাংলাদেশের ধর্মীয় সম্প্রীতিরও প্রশংসা করেন।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য দুর্গাপূজা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। ধামরাইয়ে এসে পূজা উদযাপন সরাসরি দেখতে পেরে আমরা অনেক আনন্দিত। এর আগে অনেকবার ধামরাইয়ে এলেও দুর্গাপূজা উৎসবের সময় আসা হয়নি।
বাংলাদেশের ধর্মীয় সম্প্রীতির প্রসঙ্গ তুলে সারাহ কুক বলেন, বিভিন্ন ধর্মের মানুষ একসঙ্গে মিলিত হয়ে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব উদ্যাপন করেন। এটি বাংলাদেশের একটি বিশেষ ভালো দিক। দুর্গাপূজায় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণ ও পারস্পরিক সম্প্রীতির চিত্র আমাকে মুগ্ধ করেছে।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার মণ্ডপ পরিদর্শকালে তার সঙ্গে ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুন, পূজা উদ্যাপন কমিটির নন্দ গোপাল, পুরোহিত ও স্থানীয় সাংবাদিকরা।






